বাংলায় ফিরতেই বাজিমাত! পিএম ফসল বিমা যোজনায় দেশে দ্বিতীয় রাজ্য, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: রাজ্যে পুনরায় প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা চালু হতেই অভূতপূর্ব সাফল্য। মাত্র কিছুদিনের মধ্যেই নাম নথিভুক্তকরণের নিরিখে সারা দেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল পশ্চিমবঙ্গ। শনিবার সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে এই বড় সাফল্যের কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
৩২ লক্ষ কৃষকের নাম নথিভুক্ত ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে চলা বিশেষ শিবিরের মাধ্যমে প্রায় ৩২ লক্ষ কৃষককে এই বিমার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যাপীড়িত জেলাগুলিতে কৃষকদের সাড়া ছিল চোখে পড়ার মতো:
- পূর্ব মেদিনীপুর: ৭.২৩ লক্ষ কৃষক
- পশ্চিম মেদিনীপুর: ৪.৭৩ লক্ষ কৃষক
- হুগলি: ১.৬৮ লক্ষ কৃষক
- ঝাড়গ্রাম: ৪২ হাজার কৃষক
কৃষকদের খরচ মাত্র ১ টাকা কৃষকদের ওপর আর্থিক বোঝা কমাতে প্রিমিয়ামের সিংহভাগ টাকাই রাজ্য বাজেট থেকে দেওয়া হচ্ছে।
- ১ হেক্টর (২.৫০ একর) পর্যন্ত জমি: কৃষকদের মাত্র ১ টাকার প্রতীকী প্রিমিয়াম দিতে হচ্ছে।
- ১ থেকে ২ হেক্টর জমি: একর প্রতি খরচ মাত্র ১০০ টাকা।
বন্যাগ্রস্তদের দ্রুত ক্ষতিপূরণের নির্দেশ অগস্ট মাসের সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি হওয়া কৃষকদের দ্রুত ত্রাণ পৌঁছাতে বিমা সংস্থাগুলিকে ‘মিড-সিজ়ন অ্যাডভার্সিটি’ মূল্যায়ন শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ব্যাঙ্কের মাধ্যমে ঋণগ্রহীতা কৃষকদের নথিভুক্তকরণের সময়সীমা ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, “বন্যা ও প্রাকৃতির দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে কৃষকদের সুরক্ষা দেওয়াই সরকারের মূল অগ্রাধিকার। ২০১৯-২০ সালে পূর্বতন সরকার এই প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়ায় দীর্ঘদিন রাজ্যের কৃষকেরা বিমার অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলেন।”