‘মেজোরিটি ছাড়াই পাস?’ নির্বাচন কমিশনারের ‘রক্ষাকবচ’ নিয়ে মমতার বড় প্রশ্ন

নয়া দিল্লিতে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের বৈঠকের পর দিনই নির্বাচনী আধিকারিকদের বিশেষ আইনি ইমিউনিটি বা রক্ষাকবচ প্রদানকারী ২০২৩ সালের বিতর্কিত আইনটি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট দাবি করেন, সংসদে ১৪৭ জন বিরোধী সাংসদকে নিয়মবহির্ভূতভাবে বহিষ্কার করে একক শক্তিতে জোরপূর্বক আইনটি পাশ করিয়েছিল কেন্দ্র। ফলে একে সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোটে পাশ হওয়া বৈধ আইন বলা চলে না। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি তীক্ষ্ণ কটাক্ষে প্রশ্ন তোলেন, হৃদযন্ত্র সচল থাকলে রক্ষাকবচের প্রয়োজন হয়, কিন্তু তা বিকল হয়ে গেলে সুরক্ষা নিয়ে কী হবে? ইমিউনিটির সুযোগ নিয়ে নির্বাচন কমিশন আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারে না বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।
নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও স্বচ্ছতা বজায় রাখা নিয়ে দীর্ঘদিনের বঞ্চনার কথা উল্লেখ করে তৃণমূল সুপ্রিমো অভিযোগ করেন, বারংবার আদালত এবং নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হওয়া সত্ত্বেও সঠিক বিচার মেলেনি, উল্টে তাঁদের অপমানিত হতে হয়েছে। বাংলার নির্বাচন থেকে শুরু করে একাধিক বিষয়ের উল্লেখ করার পাশাপাশি জেলাওয়ারি তথ্য পেশ করে ইভিএম অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ তোলেন তিনি। গণনাকেন্দ্রের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানিয়ে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, এমন অভূতপূর্ব পরিস্থিতি আগে কখনও দেখা যায়নি। উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনারদের এই বিশেষ ফৌজদারি সুরক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়ে সম্প্রতি একইভাবে সরব হয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও।