চোরবাগান কাণ্ডের পর নবান্নের কড়া নির্দেশ, কালী ও জগদ্ধাত্রী পুজোয় রাজ্যজুড়ে বদলাচ্ছে একগুচ্ছ নিয়ম

চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসবে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনার পুনরাবৃত্তি এড়াতে আসন্ন কালীপুজো, দীপাবলি ও জগদ্ধাত্রী পুজো নিয়ে কড়া পদক্ষেপ করল নবান্ন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও পুর এবং নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের উপস্থিতিতে আয়োজিত বৈঠকের ভিত্তিতে নবান্নের পক্ষ থেকে সমস্ত জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও পুরসভাকে বিশেষ এসওপি পাঠানো হয়েছে। নির্দেশে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, থিমের অজুহাতে মণ্ডপ আলো-আঁধারি রাখা যাবে না এবং পুরো প্রাঙ্গণে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখা বাধ্যতামূলক। দর্শনার্থীদের সুরক্ষায় প্রবেশ ও প্রস্থান পথ মসৃণ রাখার পাশাপাশি প্রতিটি মণ্ডপে পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে উদ্যোক্তাদের।
উৎসবের মরশুমে দুর্ঘটনা রুখতে অগ্নিনির্বাপণ ও বিপর্যয় মোকাবিলা ব্যবস্থায় জোড় দেওয়ার পাশাপাশি মণ্ডপের কাছে বাজি পোড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দমকলের গাড়ি যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে ১০-১৫ মিনিটের মধ্যে পৌঁছাতে পারে, সেই পরিকল্পনা নেওয়ার নির্দেশ রয়েছে। একই সাথে শব্দ ও বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাউন্ড লিমিটার ব্যবহার ও পরিবেশবান্ধব বাজির কড়া নজরদারির দায়িত্ব যৌথভাবে পুলিশ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদকে দেওয়া হয়েছে। প্রতিমা নিরঞ্জন ও ছট পুজোর ঘাটে পর্যাপ্ত আলো, ব্যারিকেড, সিসিটিভি এবং জীবনরক্ষাকারী জ্যাকেটের সুব্যবস্থা রাখতে বলা হয়েছে। সমস্ত নির্দেশিকা আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে থানা, দমকল ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয় বৈঠকের মাধ্যমে কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আদেশ দিয়েছে নবান্ন।