দীপান্বিতা কালীপুজোয় বড়মার দর্শন পেতে উপচে পড়বে ভিড়, প্রস্তুত প্রশাসন!

নৈহাটির বড়মা পুজোর নিরাপত্তা: ভিড় সামলাতে নজিরবিহীন কড়াকড়ি প্রশাসনের
নৈহাটির ঐতিহ্যবাহী বড়মা কালীপুজোর ১০৩তম বর্ষকে ঘিরে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করেছে জেলা প্রশাসন ও মন্দির কর্তৃপক্ষ। বিগত দুর্গাপুজোয় অনভিপ্রেত ভিড়ের জেরে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে এবার বাড়তি সতর্ক প্রশাসন। নিরাপত্তার স্বার্থে আগামী ৬ নভেম্বর থেকে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত মূল মন্দিরের দরজা সাধারণ ভক্তদের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই ক’দিন দর্শনার্থীরা শুধুমাত্র অস্থায়ী মণ্ডপেই মা বড়মার দর্শন করতে পারবেন।
নিরাপত্তায় ঢালাও ব্যবস্থা ও ভিআইপি এন্ট্রি বাতিল
উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক শিল্পা গৌরীসারিয়া মন্দির চত্বর পরিদর্শনের পর কঠোর নিরাপত্তা বিধিনিষেধ ঘোষণা করেছেন। অরবিন্দ রোডে ভিড়ের চাপ সামলাতে এবার ‘ভিআইপি এন্ট্রি’ ব্যবস্থা পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছে। দর্শনার্থীদের যাতায়াতের জন্য একমুখী পথ (One-way route) নির্দিষ্ট করা হয়েছে এবং যান চলাচলও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। পুলিশের পাশাপাশি নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হচ্ছে এনডিআরএফ (NDRF) টিমকে।
গঙ্গার ঘাটে দণ্ডি কাটা ভক্তদের ভিড় নিয়ন্ত্রণেও আলাদা নজরদারি চালানো হবে। প্রশাসনের এই কঠোর পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো অগণিত ভক্তের সমাগমকে সুশৃঙ্খল রাখা এবং যে কোনো ধরণের ঝুঁকি এড়ানো। এই সিদ্ধান্তের ফলে পুজো চলাকালীন ভক্তদের দীর্ঘ লাইনের জট অনেকটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এক ঝলকে
- ৬ থেকে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত মূল মন্দির সাধারণের জন্য বন্ধ থাকবে, দর্শন কেবল অস্থায়ী মণ্ডপে।
- নিরাপত্তার খাতিরে সমস্ত প্রকার ‘ভিআইপি এন্ট্রি’ বাতিল করেছে জেলা প্রশাসন।
- ভিড় নিয়ন্ত্রণে একমুখী পথ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি থাকছে এনডিআরএফ টিম।
- শহরের প্রধান সড়কগুলোতে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি গঙ্গার ঘাটে বাড়তি পুলিশি নজরদারি থাকবে।