গ্যাংস্টারদের জন্য এবার বড় ফাঁদ, চণ্ডীগড়ে জারি কঠোর নতুন আইন!

চণ্ডীগড় জেল প্রশাসনে বড় পরিবর্তন: বন্দি স্থানান্তর ও আকাশসীমায় কড়াকড়ি
নিজস্ব প্রতিবেদক: পাঞ্জাব পুনর্গঠন আইন, ১৯৬৬-এর ৮৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী, চণ্ডীগড়ে সংশোধিত পাঞ্জাব আইন কার্যকর করেছে কেন্দ্র। এই নতুন ব্যবস্থার ফলে চণ্ডীগড়ের জেল প্রশাসনের কার্যপ্রণালীতে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে বন্দি স্থানান্তর প্রক্রিয়াকে আরও সুসংহত ও নিরাপদ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী, এখন চণ্ডীগড়ের মডেল সেন্ট্রাল জেলে বন্দি সাজাপ্রাপ্ত কয়েদী ও বিচারাধীন বন্দিদের নিরাপত্তার স্বার্থে দেশের যেকোনো প্রান্তের জেলে স্থানান্তর করা সম্ভব হবে। নোটিফিকেশন অনুযায়ী, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দিদের চণ্ডীগড় প্রশাসনের আদেশে এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের সম্মতিক্রমে অন্য রাজ্যে পাঠানো যাবে। একইভাবে, অন্য রাজ্যের কোনো বিপজ্জনক বা হাই-প্রোফাইল কয়েদীকে চণ্ডীগড় জেলে নিয়ে আসা যাবে। তবে বিচারাধীন বন্দিদের ক্ষেত্রে যে আদালতে মামলা চলছে, সেই আদালতের পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
কারাগারের সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোর করতে কেন্দ্র সরকার আকাশসীমার ওপরও বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। এখন থেকে চণ্ডীগড়ের আকাশসীমা বা ‘নো-ফ্লাই জোন’-এ অনুমতি ছাড়া ড্রোন বা অন্য যেকোনো উড়ন্ত বস্তু চালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সুনির্দিষ্ট অনুমতি সাপেক্ষেই কেবল ড্রোন ব্যবহারের ছাড়পত্র মিলবে।
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রের এই কঠোর সিদ্ধান্তের ফলে চণ্ডীগড় জেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে এবং কারাগারকেন্দ্রিক ঝুঁকি হ্রাস পাবে।