অফিস আর সংসারের যাঁতাকলে মহিলারা, রইল মুশকিল আসান ৫ টোটকা!

পুরুষদের তুলনায় নারীদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা অনেক বেশি কঠিন। বিশেষ করে কর্মজীবী মা অথবা পরিবারের অসুস্থ সদস্যদের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অফিসের কাজ সামলানো এক চরম মানসিক ও শারীরিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব হিসেবে নারীদের মধ্যে ক্লান্তি, হতাশা ও স্বাস্থ্যহানির মতো সমস্যা দেখা দেয়। তবে কর্মজীবন ও পরিবারকে একটি অনমনীয় সূত্র হিসেবে না দেখে একটি নমনীয় ছন্দ হিসেবে গ্রহণ করলে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করা সম্ভব।
ভারসাম্য বজায় রাখার সহজ কৌশল
দৈনন্দিন জীবনের এই প্রবল চাপ সামলাতে একটি সুনির্দিষ্ট রুটিন মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। রুটিন অনুযায়ী কাজ গোছালে তা সহজ হয়ে যায় এবং নিজের জন্য সময় বের করা সম্ভব হয়। দিন শুরু করার আগে মাত্র ১৫-২০ মিনিট শরীরচর্চা বা হাঁটার মতো শারীরিক ক্রিয়াকলাপ অন্তর্ভুক্ত করলে দিনভর সতেজতা বজায় থাকে। পাশাপাশি, টানা কাজের মাঝে ছোট ছোট বিরতি নেওয়া অত্যন্ত কার্যকর। বিশেষ করে যাঁরা বাড়ি থেকে কাজ করেন, তাঁদের নিয়মিত ল্যাপটপ থেকে চোখ সরিয়ে খোলা হাওয়া বা রোদে বেরোনো চোখের স্বাস্থ্য ও মানসিক প্রশান্তির জন্য অপরিহার্য।
শারীরিক ও মানসিক সুস্থতায় জোর
কাজের চাপে অনেক নারীই খাওয়ার ক্ষেত্রে অবহেলা করেন, যা দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে সকালের নাশতা, দুপুরের খাবার এবং রাতের খাবার খাওয়া বাধ্যতামূলক। একঘেয়ে রুটিনের ক্লান্তি কাটাতে মাসে অন্তত একবার ছুটির পরিকল্পনা করা উচিত। ছুটির দিনে বা কাজের শেষে প্রকৃতির কাছাকাছি গেলে কিংবা তাজা বাতাস উপভোগ করলে তা মানসিক অবসাদ দূর করে। একটি শক্তিশালী সমর্থন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং নিজের যত্ন নেওয়াকে অগ্রাধিকার দিলে নারীরা অনায়াসেই ঘর ও অফিস উভয় ক্ষেত্রেই সফলভাবে ভারসাম্য বজায় রাখতে পারবেন।