চেন্নাইকে উড়িয়ে বৈভবের মহাতাণ্ডব, ১৫ বলে হাফসেঞ্চুরিতে আইপিএলে নতুন ইতিহাস

বৈভব সূর্যবংশীর ব্যাটে যেন আগ্নেয়গিরি! চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে আইপিএল ২০২৬-এর মঞ্চে রীতিমতো গর্জন করলেন এই তরুণ তুর্কি। রাজস্থান রয়্যালসের জার্সিতে তাঁর সেই বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে সিএসকে-কে ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে চূর্ণ করল পিঙ্ক সিটি। শুধু জয়ই নয়, ঝোড়ো হাফসেঞ্চুরিতে একাধিক রেকর্ড ভেঙে চুরমার করে দিলেন বৈভব।
১৫ বলের হাফসেঞ্চুরিতে ধুলোয় মিশল চেন্নাই
এদিন ক্রিজে নেমেই খুনে মেজাজে ধরা দেন বৈভব। মাত্র ১৫ বলে পূর্ণ করেন নিজের অর্ধশতরান। ৩০৫ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট চালিয়ে ১৭ বলে ৫২ রানের এক অবিস্মরণীয় ইনিংস খেলেন তিনি। রাজস্থান রয়্যালসের ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় দ্রুততম হাফসেঞ্চুরি। প্রথম ওভার থেকেই চেন্নাইয়ের বোলারদের শাসন করতে শুরু করেন তিনি। তাঁর এই মারকুটে মেজাজে ভর করেই ১২.১ ওভারের মধ্যে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় রাজস্থান।
রেকর্ড বুকে বৈভব বনাম যশস্বী
রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে দ্রুততম হাফসেঞ্চুরির মুকুট এখনও যশস্বী জয়সওয়ালের মাথায়, যিনি ১৩ বলে এই কীর্তি গড়েছিলেন। তবে বৈভব সূর্যবংশী এদিনের ইনিংসের মাধ্যমে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে নিজের জায়গা পাকা করে নিলেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালেও গুজরাটের বিরুদ্ধে মাত্র ১৭ বলে হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। অর্থাৎ দ্রুততম অর্ধশতরানের তালিকার শীর্ষ তিনে এখন দুবার রয়েছে বৈভবের নাম।
পাওয়ার প্লে-তেই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ
ম্যাচের শুরু থেকেই টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় রাজস্থান। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে চেন্নাইয়ের ব্যাটিং লাইনআপ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। মাত্র ১২৭ রানেই অলআউট হয়ে যায় সিএসকে। এরপর রান তাড়া করতে নেমে বৈভবের তাণ্ডবে ম্যাচ একপেশে হয়ে যায়। হাফসেঞ্চুরি করার পর অংশুল কম্বোজের বলে বৈভব আউট হলেও, ততক্ষণে জয় নিশ্চিত করে ফেলেছিল রাজস্থান রয়্যালস। ২০২৬ আইপিএলের শুরুতেই এমন পারফরম্যান্সের পর ক্রিকেট মহলে একটাই আলোচনা, এবার কি তবে বৈভব সূর্যবংশীর তলোয়ারেই কুপোকাত হবে বাকি দলগুলো?