আরসিবি মুম্বাই ও রাজস্থানের জয় কেন আইপিএলের জন্য অশনি সংকেত

আরসিবি মুম্বাই ও রাজস্থানের জয় কেন আইপিএলের জন্য অশনি সংকেত

আইপিএল মানেই শেষ বল পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা। কিন্তু ২০২৬ মরসুমের শুরুটা হয়েছে একেবারে অন্যভাবে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এবং রাজস্থান রয়্যালস—তিনটি দলই জিতেছে বিশাল ব্যবধানে। জেতাটা সবসময়ই ইতিবাচক, কিন্তু এই জয়ের নেপথ্যে থাকা বিশেষ ‘প্যাটার্ন’ নিয়েই তৈরি হয়েছে বিতর্ক।

একই ধাঁচে শেষ তিন ম্যাচ বেঙ্গালুরুতে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ২০১ রান তুলেও হার বাঁচিয়ে রাখতে পারেনি। রজত পাটিদারের নেতৃত্বাধীন আরসিবি মাত্র ১৫.৪ ওভারেই সেই রান তাড়া করে ইতিহাস গড়ে। এরপর মুম্বাই বনাম কেকেআর ম্যাচেও দেখা গেল একই চিত্র। হার্দিক পান্ডিয়ার মুম্বাই ২২০ রানের বিশাল লক্ষ্যও অবলীলায় পেরিয়ে গেল। তৃতীয় ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসও সিএসকে-কে কার্যত উড়িয়ে দিয়ে ৪৭ বল বাকি থাকতেই ম্যাচ পকেটে পুরে নেয়।

কেন বিপদে আইপিএলের জনপ্রিয়তা ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি ম্যাচেই তিনটি বিষয় হুবহু এক ছিল। প্রথমত, যারা টস জিতেছে তারাই শেষ হাসি হেসেছে। দ্বিতীয়ত, তিনবারই রান তাড়া করা দল জয়ী হয়েছে। আর তৃতীয়ত, প্রতিটি ম্যাচই ছিল সম্পূর্ণ একপেশে।

আইপিএলের আসল আনন্দ লুকিয়ে থাকে লড়াইয়ের রোমাঞ্চে। যদি প্রতিটি ম্যাচ এভাবেই একতরফা এবং টস-নির্ভর হয়ে পড়ে, তবে দর্শক গ্যালারিতে ভাটা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। লড়াই যখন একপেশে হয়ে যায়, তখন টেলিভিশনের রেটিং পয়েন্ট বা টিআরপি-তেও তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। ক্রিকেট ভক্তরা চান হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, একপেশে জয় নয় যা খেলাটিকে একঘেয়ে করে তোলে। আইপিএলের গ্ল্যামার ধরে রাখতে হলে দলগুলোর মধ্যে সমানে সমানে টক্কর হওয়া জরুরি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *