হাওড়া স্টেশনে মিথিলা এক্সপ্রেসে তীব্র আতঙ্ক, বগি আলাদা করে তদন্তে নামল রেল

হাওড়া স্টেশনের ৭ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা আপ মিথিলা এক্সপ্রেসে আচমকা ধোঁয়াকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল। মঙ্গলবার বিকেল নাগাদ ট্রেনের দু’টি কামরার সংযোগস্থল থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখেন যাত্রী ও রেলকর্মীরা। এই ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায় এবং প্ল্যাটফর্মে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তড়িঘড়ি আক্রান্ত বগিটিকে ট্রেন থেকে আলাদা করা হয়। ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে স্নিফার ডগ এনে তদন্ত শুরু করেছে রেল কর্তৃপক্ষ।
আতঙ্ক ও উদ্ধারকাজ
প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, ট্রেনটি যথাসময়ে প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকার সময় হঠাৎই কামরার ভিতর থেকে ধোঁয়া বেরোতে শুরু করে। মুহূর্তের মধ্যে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তাঁরা অন্য কামরা দিয়ে তড়িঘড়ি নামার চেষ্টা করেন। তাড়াহুড়ো করে নামতে গিয়ে কয়েকজন যাত্রী সামান্য চোট পেয়েছেন বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান আরপিএফ ও রেলের উচ্চপদস্থ কর্মীরা। তাঁরা যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সমস্ত যাত্রীদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে যান এবং অল্প সময়ের মধ্যেই ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।
কারণ ও সম্ভাব্য প্রভাব
কী কারণে এই ধোঁয়ার উৎপত্তি, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। হাওড়া ডিসিএম ও পিআরও হরিনারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় সরাসরি আগুন লাগার খবর স্বীকার না করলেও, কামরার ভিতর থেকে ধোঁয়া নির্গত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সুরক্ষার স্বার্থে ট্রেনটি থেকে নির্দিষ্ট কামরাটি কেটে আলাদা করা হয়েছে। এই ঘটনার জেরে দূরপাল্লার ট্রেনটির সময়সূচিতে কিছুটা বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে রেলের প্রাথমিক অনুমান, যান্ত্রিক ত্রুটি বা শর্ট সার্কিট থেকে এই ঘটনা ঘটতে পারে। সব দিক খতিয়ে দেখতে স্নিফার ডগের সাহায্যে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।