২৪ ক্যারেট ছাড়াল দেড় লক্ষ, তবে নিম্নমুখী সোনা ও রুপোর বাজার!

জুন মাসের প্রথম দিনেই দেশের সোনা ও রুপোর বাজারে বড়সড় পতন লক্ষ্য করা গেল। সোমবার বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই বিশ্ববাজারের পাশাপাশি ভারতীয় বুলিয়ন বাজারেও এক ধাক্কায় বেশ খানিকটা কমেছে মহামূল্যবান এই দুই ধাতুর দাম। সপ্তাহের শুরুতেই দামের এই নিম্নমুখী গ্রাফ স্বাভাবিকভাবেই গহনাপ্রেমী ও সাধারণ ক্রেতাদের মুখে স্বস্তির হাসি ফুটিয়েছে।
রেকর্ড উচ্চতা থেকে পতন ও বর্তমান বাজার দর
ইন্ডিয়া বুলিয়ন অ্যান্ড জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (IBJA)-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবারের তুলনায় সোমবার ২৪ ক্যারেট ও ২২ ক্যারেট—উভয় সোনার দামই বেশ কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ২৪ ক্যারেট সোনার প্রতি ১০ গ্রামের দাম ১,৫৬,৪৬৩ টাকায় ঠেকেছিল, যা সোমবার সকালে ৮৬৪ টাকা কমে ১,৫৫,৫৯৯ টাকায় নেমে এসেছে। অন্যদিকে, সাধারণ মানুষের পছন্দের ২২ ক্যারেট সোনার দামও প্রতি ১০ গ্রামে ৭৯১ টাকা কমেছে। ফলে গত সপ্তাহের ১,৪৩,৩২০ টাকার ২২ ক্যারেট সোনা আজ বিক্রি হচ্ছে ১,৪২,৫২৯ টাকায়। সোনার পাশাপাশি স্বস্তি মিলেছে রুপোর দামেও। প্রতি কেজি রুপোর দাম ৪৫০ টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ২,৬২,৯০০ টাকায়।
দাম কমার কারণ ও ভবিষ্যৎ প্রভাব
বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্ববাজারের ওঠানামা এবং বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতার কারণেই এই দরপতন। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই সোনা ও রুপোর দাম ইতিহাসের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছিল। সে সময় এমসিএক্স-এ রুপোর দাম প্রতি কেজি ৪ লক্ষ টাকা এবং সোনা প্রতি ১০ গ্রাম ২ লক্ষ টাকার গণ্ডি ছুঁয়েছিল। সেই আকাশছোঁয়া দামের তুলনায় বর্তমান বাজার দর অনেকটাই কম। এই ধারাবাহিক পতন যদি আগামী কয়েকদিন বজায় থাকে, তবে বিয়ের মরশুমের আগে গহনার বাজারে বেচাকেনা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। তবে মনে রাখা প্রয়োজন, IBJA ঘোষিত এই মূল্যের সঙ্গে জিএসটি (GST) এবং গহনা তৈরির মজুরি যুক্ত না থাকায়, শোরুম থেকে গহনা কেনার সময় চূড়ান্ত খরচ কিছুটা ভিন্ন হবে।