২০ জুনে পশ্চিমবঙ্গ দিবস তারকেশ্বরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/05/04/narendra-modi-in-bengali-traditional-attire-2026-05-04-21-07-56.jpg?w=1200&resize=1200,675&ssl=1)
আগামী ২০ জুন রাজ্যজুড়ে উদযাপিত হতে চলেছে ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’। ১৯৪৭ সালের এই দিনটিতেই আইনসভায় ভোটাভোটির মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ঐতিহাসিক এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে হুগলির তারকেশ্বরে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। রাজ্য সরকারের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে এই অনুষ্ঠানে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মূলত ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় তারকেশ্বরের একটি সম্মেলন থেকেই পশ্চিমবঙ্গ গঠনের পক্ষে জোরালো প্রস্তাব গ্রহণ করেছিলেন, যার ঐতিহাসিক গুরুত্বকে সম্মান জানিয়েই এই স্থানটিকে মূল অনুষ্ঠানের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক উদ্যাপন
দিনটি পালন উপলক্ষে রাজ্যজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। নবান্নের নির্দেশে উচ্চশিক্ষা দপ্তর রাজ্যের সমস্ত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়কে আগামী ২০ জুন বাধ্যতামূলকভাবে ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ পালনের নির্দেশ দিয়েছে। শুধু ওই দিনই নয়, পরবর্তী দুই থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও আলোচনা সভার আয়োজন করতে বলা হয়েছে। নতুন প্রজন্মের ছাত্রছাত্রীদের কাছে পশ্চিমবঙ্গের সৃষ্টি, এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং বাঙালি হিন্দুদের নিজস্ব হোমল্যান্ড হিসেবে এই রাজ্যের আত্মপ্রকাশের ইতিহাস তুলে ধরাই এই সচেতনতামূলক উদ্যোগের প্রধান কারণ।
পুরোনো কমিটির সদস্যদের পদত্যাগের হুঁশিয়ারি
এই উদযাপনের পাশাপাশি রাজ্যের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রশাসনিক স্তরে বড়সড় রদবদলের ইঙ্গিত দিয়েছেন উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী। বিগত সরকারের জমানায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলির কোর্ট, কাউন্সিল এবং এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলে মনোনীত যেসব সদস্য এখনও বহাল রয়েছেন, তাদের স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রীর স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক দর্শনের সঙ্গে অমিল থাকা এই সদস্যরা যদি বিবেকের ডাকে সাড়া দিয়ে নিজ থেকে পদত্যাগ না করেন, তবে আগামী দিনে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শিক্ষাঙ্গনে মতাদর্শগত দ্বন্দ্ব দূর করে সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতেই এই কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে প্রশাসন।