গিজার অন রেখে স্নান? মারাত্মক বিপদ এড়াতে এখনই জানুন এই গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম

গিজার অন রেখে স্নান? মারাত্মক বিপদ এড়াতে এখনই জানুন এই গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম

শীতের দিনে গরম জলে স্নান অত্যন্ত আরামদায়ক হলেও, গিজার ব্যবহারে সামান্য অসাবধানতা ডেকে আনতে পারে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। অসচেতনতার কারণে শর্ট সার্কিট, গিজার বিস্ফোরণ এমনকি বাথরুমে দমবন্ধ হয়ে মৃত্যুর মতো ঘটনাও অহরহ ঘটছে। নিরাপদ থাকতে গিজার ব্যবহারের সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরি:

  • গিজার অন রেখে স্নান নয়: গিজার চালিয়ে রেখে স্নান করা সবচেয়ে বড় ভুল। ওয়্যারিংয়ে সামান্য ত্রুটি থাকলেও কলের বা শাওয়ারের জলের মাধ্যমে কারেন্ট চলে আসতে পারে। তাই জল গরম হয়ে যাওয়ার পর গিজারের সুইচ বন্ধ করে তবেই স্নান করুন।
  • ‘অটো কাট-অফ’ ও সঠিক তাপমাত্রা: গিজার একটানা চললে অতিরিক্ত বাষ্প জমে ভেতরের চাপ বেড়ে যায় এবং গিজার ফেটে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই ‘অটো কাট-অফ’ ফিচারযুক্ত গিজার ব্যবহার করা নিরাপদ। এছাড়া গিজারের থার্মোস্ট্যাট ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার নিচে সেট করে রাখুন; এতে বিদ্যুতের বিল যেমন কমবে, তেমনই দুর্ঘটনাও এড়ানো যাবে।
  • গ্যাস গিজারে ভেন্টিলেশন আবশ্যক: আপনি যদি এলপিজি গ্যাস গিজার ব্যবহার করেন, তবে বাথরুমে এগজস্ট ফ্যান বা খোলা জানালা থাকা বাধ্যতামূলক। বাথরুমে পর্যাপ্ত বাতাস না থাকলে গ্যাস ঠিকমতো না জ্বলে বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড তৈরি হয়, যা অক্সিজেনের পরিমাণ কমিয়ে দমবন্ধ হওয়ার কারণ হতে পারে।
  • নিয়মিত মেরামত ও আর্থিং পরীক্ষা: বছরে অন্তত একবার দক্ষ ইলেকট্রিশিয়ান দিয়ে গিজার চেক করান এবং কয়েলে জমা আয়রন বা ক্যালসিয়াম পরিষ্কার করিয়ে নিন। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হলো, আপনার বাড়ি ও বাথরুমের আর্থিং ব্যবস্থা সঠিকভাবে কাজ করছে কি না তা নিশ্চিত করা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *