‘আমাকে ছেড়ে দাও…’ চিৎকারে দৌড়ে এলেন প্রতিবেশীরা, তুতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ!

নদিয়া: রাজ্যে ফের এক নাবালিকাকে নৃশংসভাবে নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার ভীমপুর থানার অন্তর্গত কুলবাগান এলাকায়। অভিযুক্ত যুবক সম্পর্কে নির্যাতিতার মাসির ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকালে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে ২০ বছর বয়সী যুবক মফিজুল শেখ বাড়িতে প্রবেশ করে। অভিযোগ, ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে সে নাবালিকার ওপর বর্বরোচিত অত্যাচার চালায়। নাবালিকার কান্নাকাটি ও চিৎকার শুনে আশপাশের বাসিন্দারা ছুটে এলে অভিযুক্ত মফিজুল ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়।
ঘটনার খবর পেয়ে ভীমপুর থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং রক্তাক্ত ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় নাবালিকাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা ও মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য কৃষ্ণনগর হাসপাতালে পাঠায়। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে ওই কিশোরী।
এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, “মেয়েটির কান্নার আওয়াজ পেয়ে আমরা ছুটে যাই। গিয়ে দেখি সে আকুতি জানাচ্ছে তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য। সেই সময় মফিজুল পালিয়ে যায়। নাবালিকার সারা শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং পোশাক রক্তে ভেজা ছিল।”
ঘটনার সময় মাঠে কর্মরত ছিলেন নাবালিকার বাবা। তিনি জানান, বাড়িতে ফিরে মেয়েকে সংজ্ঞাহীন ও রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। স্বজনদের দাবি, অভিযুক্তের যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়।
পরিবারের পক্ষ থেকে ভীমপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং পলাতক অভিযুক্ত মফিজুল শেখের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।