৮ অক্টোবরের মধ্যে সিদ্ধান্ত! ঋতব্রত সহ ১০ বিদ্রোহী বিধায়কের ভাগ্য নির্ধারণ নিয়ে বড় মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

৮ অক্টোবরের মধ্যে সিদ্ধান্ত! ঋতব্রত সহ ১০ বিদ্রোহী বিধায়কের ভাগ্য নির্ধারণ নিয়ে বড় মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

রাজ্য রাজনীতিতে ক্রমশ বাড়ছে জল্পনা। জোড়াফুল শিবিরের অন্দরে ফাটল চওড়া হয়ে বর্তমানে দল মূলত দুই ভাগে বিভক্ত। এই আবহেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় সহ ১০ জন বিদ্রোহী বিধায়কের পদ খারিজের আবেদন ঘিরে সরগরম সুপ্রিম কোর্ট। মমতা শিবিরের প্রবীণ বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের দায়ের করা এই সংক্রান্ত মামলায় এবার বিধানসভার স্পিকারকে আইনি সময়সীমা স্মরণ করিয়ে দিল শীর্ষ আদালত।

৮ অক্টোবরের মধ্যেই নিতে হবে সিদ্ধান্ত? ঘটনার সূত্রপাত গত জুলাই মাসে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় সহ ১০ জন বিদ্রোহী বিধায়কের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রয়োগ করে পদ বাতিলের আবেদন নিয়ে স্পিকারের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তবে দীর্ঘদিন অতিক্রান্ত হলেও স্পিকারের তরফে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি; উল্টে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতার পদে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এরপরেই সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন জানান মমতা শিবিরের প্রবীণ নেতা।

সোমবারে এই মামলার শুনানিতে মমতা শিবিরের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী-সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কপিল সিব্বল। তবে শুনাবো শেষে শীর্ষ আদালত সরাসরি কোনো হস্তক্ষেপ না করে বিষয়টি স্পিকারের বিচারাধীন ক্ষমতার ওপরই ছেড়ে দেয়।

স্পিকারকেই নিতে হবে চূড়ান্ত পদক্ষেপ বিচারপতিরা স্পষ্ট জানান, বিধায়কদের পদ খারিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আইনি অধিকার সম্পূর্ণভাবে বিধানসভার স্পিকারের হাতেই রয়েছে। এর সাথেই দলত্যাগ বিরোধী আইনের অধীনে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ৩ মাসের নির্দিষ্ট বিধিবদ্ধ সময়সীমাও মনে করিয়ে দেয় আদালত।

শুনানি চলাকালীন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি মন্তব্য করেন, “অনেক সময় আমরা নিজেরাই সময়সীমা মেনে চলতে পারি না। তাই কোনো কঠোর নির্দেশ দেওয়ার আগে বিষয়টি মাথায় রাখা প্রয়োজন। তবে স্পিকারকে একটি যুক্তিসঙ্গত সময়সীমার মধ্যেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।”

মামলার নিষ্পত্তি শেষে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, আদালত স্পিকারকেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার দিয়েছে। আবেদন পেশ করার পর থেকে ৩ মাসের যে আইনি মেয়াদ থাকে, সেই হিসাব অনুযায়ী আগামী ৮ অক্টোবরের মধ্যেই স্পিকারকে এই ১০ জন বিদ্রোহী বিধায়কের ভাগ্যে সিলমোহর দিতে হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *