ইউরোর স্কুলছাত্র থেকে বিশ্বকাপের স্টারবয়! দুই বছরে ইয়ামালের অবিশ্বাস্য উত্থান

ইউরোর স্কুলছাত্র থেকে বিশ্বকাপের স্টারবয়! দুই বছরে ইয়ামালের অবিশ্বাস্য উত্থান

মাত্র দুই বছর আগে ইউরো কাপের ড্রেসিংরুমে স্কুলব্যাগ কাঁধে ঘুরতেন যে কিশোর, আজ তিনি বিশ্বফুটবলের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। ষোলো বছরের সেই লামিন ইয়ামাল এখন আঠারো বছরের এক পরিণত তারকা। ২০২৬ বিশ্বকাপের ঠিক আগে বিজ্ঞাপন, সামাজিক উদ্যোগ থেকে শুরু করে মাঠের পারফরম্যান্স—সব জায়গাতেই স্প্যানিশ এই তরুণ উইঙ্গার এখন প্রথম সারির মুখ।

মাঠের সাফল্যই এনেছে বিশ্বজোড়া পরিচিতি

বার্সেলোনা ও স্পেনের জার্সিতে ইয়ামালের ধারাবাহিক অসাধারণ পারফরম্যান্সই তার এই আকাশছোঁয়া খ্যাতির মূল কারণ। গত মৌসুমে বার্সেলোনার হয়ে ২৪টি গোল এবং ১৮টি অ্যাসিস্ট করে দলের লিগ শিরোপা ধরে রাখতে বড় ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। ফলস্বরূপ ২০২৫ সালের ব্যালন ডি’অর ভোটাভুটিতে উসমানে ডেম্বেলের ঠিক পরেই দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন। মাঠের এই সাফল্য তাকে মাঠের বাইরেও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোর মূল ভরসায় পরিণত করেছে। ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত হওয়ার পাশাপাশি লিওনেল মেসি বা জুড বেলিংহ্যামের মতো তারকাদের সঙ্গে শীর্ষস্থানীয় ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারক সংস্থার প্রচারেও তিনি এখন কেন্দ্রীয় চরিত্র।

চোট কাটিয়ে বিশ্বকাপে নতুন প্রত্যাশা

আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় চার কোটি অনুসারীর চাপ সত্ত্বেও ইয়ামাল মানসিকভাবে অত্যন্ত অবিচল। এপ্রিলে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেলেও কঠোর পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দ্রুত সুস্থ হয়ে স্পেনের বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নিয়েছেন। আজ কেপ ভার্দের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে তাকে বেঞ্চে দেখা গেলেও, পুরো টুর্নামেন্টে তার ওপর দলের প্রত্যাশা অনেক। মাত্র আঠারো বছর বয়সেই তার এই পরিণত মানসিকতা ও বিশ্বমঞ্চে নিজেকে প্রমাণের অদম্য স্পৃহা স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের সমীকরণে এক ব্যাপক ও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন ফুটবল বিশেষজ্ঞরা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *