লাহোরের যুবককে আবেগে ভাসালেন ইমতিয়াজ ও রহমান!

লাহোরের যুবককে আবেগে ভাসালেন ইমতিয়াজ ও রহমান!

পছন্দের তারকাকে এক ঝলক দেখার জন্য ভক্তরা অসাধ্য সাধন করতে পারেন, তার বড় প্রমাণ মিলল আত্তারি-ওয়াঘা সীমান্তে। পরিচালক ইমতিয়াজ আলি ও সুরকার এ.আর. রহমনকে সামনাসামনি দেখার টানে সুদূর লাহোর থেকে কুড়ি কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে সীমান্তে হাজির হলেন এক পাকিস্তানি তরুণ। সীমান্তের জিরো পয়েন্টে দুই দেশের মানুষের মিলনমেলা ও শিল্পের জয়গান দেখার অভিজ্ঞতা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

শিল্পের টানেই মিটল সীমান্তের দূরত্ব

’ম্যায় ওয়াপাস আউঙ্গা’ ছবির প্রচারের অংশ হিসেবে পাঞ্জাবের আত্তারি-ওয়াঘা সীমান্তে আয়োজিত হয়েছিল ‘জয় হো-আ মিউজিক্যাল স্যালুট টু দ্য ব্রেভহার্টস’ নামক এক বিশেষ অনুষ্ঠান। সীমান্তে প্রথমবার লাইভ সঙ্গীত পরিবেশন করতে এসে সুরকার এ.আর. রহমন ও পরিচালক ইমতিয়াজ আলি ভক্তদের মন জয় করে নিয়েছেন। এই অনুষ্ঠান কেবল দুই দেশের সীমান্তে উপস্থিত দর্শকদেরই নয়, উদ্বেলিত করেছে ওপার বাংলার এক অগণিত ভক্তকেও। লাহোর থেকে ২০ মিনিটের সংক্ষিপ্ত পথ পাড়ি দিয়ে সীমান্তে পৌঁছানো ওই তরুণ জানান, দীর্ঘ দুই দশক পর তিনি সীমান্তে এলেন এবং শিল্পের মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ এক পরিবেশের সাক্ষী হতে পেরেছেন।

ভালোবাসার বিনিময়ে শিল্পীর অঙ্গীকার

ইমতিয়াজ আলিকে কাছে পেয়ে ওই তরুণ নিজের দীর্ঘদিনের আবেগ উজাড় করে দেন। প্রিয় পরিচালকের সঙ্গে কথোপকথনের সেই মুহূর্ত স্মৃতিমেদুর হয়ে তিনি সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। সীমান্তের জিরো পয়েন্টে দুই দেশের মানুষের সহাবস্থান এবং ইমতিয়াজের সঙ্গে তার একান্ত আলাপচারিতা প্রমাণ করেছে, শিল্প ও সৃষ্টি সীমানার বেড়া ডিঙিয়ে মানুষের হৃদয়কে কাছাকাছি আনতে পারে। বিদায়লগ্নে ইমতিয়াজ আলির কাছে ওই তরুণের প্রত্যাশা ছিল অনাগত ভবিষ্যতের, যেখানে শিল্পের আদান-প্রদান আরও অবাধ ও স্বাভাবিক হবে। ইমতিয়াজের মুখে ‘ইনশাআল্লাহ, একদিন আসব’—এই প্রতিশ্রুতি যেন দুই দেশের অগণিত ভক্তের মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। এই ঘটনাটি সীমান্তের ভৌগোলিক কাঁটাতারকে ছাপিয়ে মানবিক ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের এক অনন্য নজির স্থাপন করল।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *